(এই কবিতাগুলি কবি সমরজিত সিনহা কে উৎসর্গীকৃত)মমিজন্ম
এই অসুখের পাশে পাশবালিশের মত শুয়ে
আহা-আহা-আহা, দুলে-দুলে-দুলে উঠছে মাধ্যম
এতদিনে নিশ্চিত আমি হে---আমার আপেলপাতা
অনুচ্ছেদ খুলে-খুলে এবার পড়বে দ্বাররক্ষী
কবরের রাজ্যে, কুঁকড়ানো-গর্ভ-দ্রুত-ক্ষয়-বন্দী
এবার পেয়ালা---প্রতিবন্ধী-যৌন-অন্ধ-উইঁপোকা
বিবাগি-চুমুক দিচ্ছে বেদনায় কুন্ঠিত ভ্রমর
এবার খুলবে দ্বার, দ্বাররক্ষী, যৌথ পতি মেনে,
মায়া-সার-আমি, শেকড়ের, ধারন করেছি ডিম
যেন তুই এক মহা ভুল, একটি দুঃখের বাড়ি,
আমি কী পেয়ালা তোর, রানি? আমার আপেলপাতা
কেউ নেই, তিনসত্যি, ছিল না আমার এই বিশ্বে,
তুমি হে আপেল, আমার সৌন্দর্য-সচেতন, ক্ষুধা
কন্ঠরুদ্ধ হয়--কন্ঠরুদ্ধ তবু ওই মালা পরে
মেলেছি পেখম, হারিয়ে যেয়ো না হে আপেলপাতা
কতবার জন্মে, কতজন্ম পচে মমিজন্ম এই
ট্রেনের সিটি গোনে সংবেদনা
কিভাবে যে বুঝে যাও এসব কালের মোহ
ওইতো মাচান ফুঁড়ে জেগে ওঠে বিষন্ন বাঘ
দ্বিতীয়তঃ শুনেছি,এখনো কুমারী নাকি আমি
আর আমার গ্রীবার দাগ
দারুন সংবেদনা ট্রেনের সিটি গোনে
ভুল ষ্টেশনে কবে থেমে গেছি আমিও
পিতৃহত্যার প্রতিশোধে; হতভাগ্য হ্যামলেট
ভাঁজ খুলে দেখ প্রেম নয় জ্বেলেছি আগুন
এ-বাসনা একি শুধু অভিশাপ?
কবে সিংহাসনচ্যুত হলো মাতা আর অনুকূলে
এলো হোরাস,অ্যাডোনিস
আজ ও পা বেঁধে রাখা চিনে নারী আমি
গালে-মুখে রঙ করা কঠিন মুখোশ
দেহ,হায় দেহ দিতে ব্যর্থ এ দেহ
তবু অপরিবর্তনীয় থাক এই সমর্পন
প্রকৃতিকে কে করে বিদ্বিষ্ট
বেত্রাঘাত কে করে আজ নারী-যাদুকরীর হাতে!
একদিন নিদ্রা ফেলে গভীর বিশৃংখলা সেও
শিখিয়েছ তুমি-------
আমি শুধু প্রায়শ্চিত্য দিয়েছিলাম শর্তহীন পাপের
আর আমিও পাপের অধস্তন
তুমি কি গীর্যার যাজক?
ভালোবাসা বা কামনা এসবের নিহিতার্থ
তবে ভরৎসনা
তোমার একগুঁয়ে টুপি নির্ধারিত রেখো
ক্যাথলিক অন্তেষ্টির জন্য,আর জেনো
আমি উনিশ শতকের কোনো চিতা নই
এই অসুখের পাশে পাশবালিশের মত শুয়ে
আহা-আহা-আহা, দুলে-দুলে-দুলে উঠছে মাধ্যম
এতদিনে নিশ্চিত আমি হে---আমার আপেলপাতা
অনুচ্ছেদ খুলে-খুলে এবার পড়বে দ্বাররক্ষী
কবরের রাজ্যে, কুঁকড়ানো-গর্ভ-দ্রুত-ক্ষয়-বন্দী
এবার পেয়ালা---প্রতিবন্ধী-যৌন-অন্ধ-উইঁপোকা
বিবাগি-চুমুক দিচ্ছে বেদনায় কুন্ঠিত ভ্রমর
এবার খুলবে দ্বার, দ্বাররক্ষী, যৌথ পতি মেনে,
মায়া-সার-আমি, শেকড়ের, ধারন করেছি ডিম
যেন তুই এক মহা ভুল, একটি দুঃখের বাড়ি,
আমি কী পেয়ালা তোর, রানি? আমার আপেলপাতা
কেউ নেই, তিনসত্যি, ছিল না আমার এই বিশ্বে,
তুমি হে আপেল, আমার সৌন্দর্য-সচেতন, ক্ষুধা
কন্ঠরুদ্ধ হয়--কন্ঠরুদ্ধ তবু ওই মালা পরে
মেলেছি পেখম, হারিয়ে যেয়ো না হে আপেলপাতা
কতবার জন্মে, কতজন্ম পচে মমিজন্ম এই
ট্রেনের সিটি গোনে সংবেদনা
কিভাবে যে বুঝে যাও এসব কালের মোহ
ওইতো মাচান ফুঁড়ে জেগে ওঠে বিষন্ন বাঘ
দ্বিতীয়তঃ শুনেছি,এখনো কুমারী নাকি আমি
আর আমার গ্রীবার দাগ
দারুন সংবেদনা ট্রেনের সিটি গোনে
ভুল ষ্টেশনে কবে থেমে গেছি আমিও
পিতৃহত্যার প্রতিশোধে; হতভাগ্য হ্যামলেট
ভাঁজ খুলে দেখ প্রেম নয় জ্বেলেছি আগুন
এ-বাসনা একি শুধু অভিশাপ?
কবে সিংহাসনচ্যুত হলো মাতা আর অনুকূলে
এলো হোরাস,অ্যাডোনিস
আজ ও পা বেঁধে রাখা চিনে নারী আমি
গালে-মুখে রঙ করা কঠিন মুখোশ
দেহ,হায় দেহ দিতে ব্যর্থ এ দেহ
তবু অপরিবর্তনীয় থাক এই সমর্পন
প্রকৃতিকে কে করে বিদ্বিষ্ট
বেত্রাঘাত কে করে আজ নারী-যাদুকরীর হাতে!
একদিন নিদ্রা ফেলে গভীর বিশৃংখলা সেও
শিখিয়েছ তুমি-------
আমি শুধু প্রায়শ্চিত্য দিয়েছিলাম শর্তহীন পাপের
আর আমিও পাপের অধস্তন
তুমি কি গীর্যার যাজক?
ভালোবাসা বা কামনা এসবের নিহিতার্থ
তবে ভরৎসনা
তোমার একগুঁয়ে টুপি নির্ধারিত রেখো
ক্যাথলিক অন্তেষ্টির জন্য,আর জেনো
আমি উনিশ শতকের কোনো চিতা নই
দারুণ লেগেছে।
উত্তরমুছুন'আমার আপেলপাতা
উত্তরমুছুনঅনুচ্ছেদ খুলে-খুলে এবার পড়বে দ্বাররক্ষী'
'আপেলখাতা' বা 'আপেলবই' হলে মজা আরো বাড়ত আমার।
অসম্ভব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুন